♥ ♥ইসলামে নারীর অধিকার পুরুষের সমান এ কথাটা ভুল।♥ ♥
বরং সঠিক কথাটা হবে, ইসলাম নারী ও পুরুষের যথাযথ ন্যায্য অধিকার দিয়েছে।
প্রয়োজন মতো কখনো নারীকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে, কখনো পুরুষকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে। কখনো সমান দেয়া হয়েছে। এখানে বেশী, কম, সমান বিবেচ্য না। বিবেচ্য হলো প্রাপ্য অধিকার যথাযথভাবে দেয়া। ইসলাম সেটাই নিশ্চিত করেছে।
সম্পত্তির কথাই ধরুন না কেন?
১। ছেলেদের দায়িত্ব হলো বিয়ের সময় মোহরানা দিতে হবে। এটা ভিক্ষা নয়, মেয়েদের অধিকার। স্ত্রীকে কিন্তু স্বামীকে কিছু দিতে হবেনা।
২। স্ত্রীর ভরণ পোষনের সব দায়িত্ব স্বামীর। স্ত্রী যদি আয় রোজগার করে তারপরেও তার আয় থেকে স্বামীকে এক পয়সাও দিতে বাধ্য নয়।
৩। সন্তানের ভরণ পোষণের দায়িত্বও বাবার। এক্ষেত্রে মা সম্পদশালী হলেও সন্তাদের ভরণপোষণ দিতে তিনি বাধ্য নন।
৪। স্বামীর মৃত্যুর পর একজন ছেলে সন্তান সম্পত্তির যতটুকু পাবে স্ত্রী পাবে তার অর্ধেক। আবার বাবার মৃতুর পর একজন ভাই যতটুকু পাবে বোন হিসেবে তিনি পাবেন তার অর্ধেক।
সুতরাং দেখা গেল, আমি ছেলে হিসেবে আমার বাবা থেকে যখন যা সম্পত্তি পাচ্ছি আমার বোন পেল তার অর্ধেক। আবার আমার বোন তার স্বামী থেকে পাবে অর্ধেক। দুই হাফ মিলে সে পেল এক। আমি বাবা থেকে পেলাম এক। দুজনেই আসলে পুরো এক ভাগ পেলাম। যেটা সমানাধিকার। কিন্তু আমার বোন যে তার স্বামী থেকে মোহরানা ও ভরণ পোষণ পাচ্ছে সেটা আমি পাচ্ছিনা বরং আমাকে আমার স্ত্রীকে মোহরানা দিতে হয়েছে, আজীবন তার ভরণ পোষণ আমাকেই করতে হচ্ছে, তার উপর সন্তানরা তো আছেই।
এবার বলুন প্রাপ্তির সময় আমি ও আমার বোন যখন সমান, কিন্তু ব্যয়ের সময় আমার দায়িত্ব ও ব্যয় অনেক বেশী। তাহলে আমার বোনটি ঠকলো কোথায়?
সুতরাং ইসলামে পুরুষ থেকে নারীর অধিকার অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে সম্পত্তিতে সমান নয় বরং বেশী দিয়েছে। সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারীরা বাবার অংশ থেকে একতৃতীয়াংশ পান, স্বামীর অংশ থেকেও পেয়ে থাকেন। বিবাহের সময় স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহর বা সম্মানী পেয়ে থাকেন। আর এই দেনমোহরকে ইসলামে ফরজ করা হয়েছে। যা স্বামী তার স্ত্রীকে বাসর রাতেই পরিশোধ করতে বাধ্য।
সরকারী চাকুরীজিবী স্বামীর মৃতুর পরে স্ত্রী আজীবন পেনশন ভোগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবি স্ত্রীর অবর্তমানে স্বামী পেনশন পাবেন না। কোন পুরুষ স্ত্রীর সম্পত্তির অংশিদারিত্ত পাবেন না। অন্যকোন ধর্মে/ আইনে নারীদের এতো সম্মান দেওয়া হয় নাই।
বরং সঠিক কথাটা হবে, ইসলাম নারী ও পুরুষের যথাযথ ন্যায্য অধিকার দিয়েছে।
প্রয়োজন মতো কখনো নারীকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে, কখনো পুরুষকে বেশী অধিকার দেয়া হয়েছে। কখনো সমান দেয়া হয়েছে। এখানে বেশী, কম, সমান বিবেচ্য না। বিবেচ্য হলো প্রাপ্য অধিকার যথাযথভাবে দেয়া। ইসলাম সেটাই নিশ্চিত করেছে।
সম্পত্তির কথাই ধরুন না কেন?
১। ছেলেদের দায়িত্ব হলো বিয়ের সময় মোহরানা দিতে হবে। এটা ভিক্ষা নয়, মেয়েদের অধিকার। স্ত্রীকে কিন্তু স্বামীকে কিছু দিতে হবেনা।
২। স্ত্রীর ভরণ পোষনের সব দায়িত্ব স্বামীর। স্ত্রী যদি আয় রোজগার করে তারপরেও তার আয় থেকে স্বামীকে এক পয়সাও দিতে বাধ্য নয়।
৩। সন্তানের ভরণ পোষণের দায়িত্বও বাবার। এক্ষেত্রে মা সম্পদশালী হলেও সন্তাদের ভরণপোষণ দিতে তিনি বাধ্য নন।
৪। স্বামীর মৃত্যুর পর একজন ছেলে সন্তান সম্পত্তির যতটুকু পাবে স্ত্রী পাবে তার অর্ধেক। আবার বাবার মৃতুর পর একজন ভাই যতটুকু পাবে বোন হিসেবে তিনি পাবেন তার অর্ধেক।
সুতরাং দেখা গেল, আমি ছেলে হিসেবে আমার বাবা থেকে যখন যা সম্পত্তি পাচ্ছি আমার বোন পেল তার অর্ধেক। আবার আমার বোন তার স্বামী থেকে পাবে অর্ধেক। দুই হাফ মিলে সে পেল এক। আমি বাবা থেকে পেলাম এক। দুজনেই আসলে পুরো এক ভাগ পেলাম। যেটা সমানাধিকার। কিন্তু আমার বোন যে তার স্বামী থেকে মোহরানা ও ভরণ পোষণ পাচ্ছে সেটা আমি পাচ্ছিনা বরং আমাকে আমার স্ত্রীকে মোহরানা দিতে হয়েছে, আজীবন তার ভরণ পোষণ আমাকেই করতে হচ্ছে, তার উপর সন্তানরা তো আছেই।
এবার বলুন প্রাপ্তির সময় আমি ও আমার বোন যখন সমান, কিন্তু ব্যয়ের সময় আমার দায়িত্ব ও ব্যয় অনেক বেশী। তাহলে আমার বোনটি ঠকলো কোথায়?
সুতরাং ইসলামে পুরুষ থেকে নারীর অধিকার অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে সম্পত্তিতে সমান নয় বরং বেশী দিয়েছে। সম্পত্তির ক্ষেত্রে নারীরা বাবার অংশ থেকে একতৃতীয়াংশ পান, স্বামীর অংশ থেকেও পেয়ে থাকেন। বিবাহের সময় স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহর বা সম্মানী পেয়ে থাকেন। আর এই দেনমোহরকে ইসলামে ফরজ করা হয়েছে। যা স্বামী তার স্ত্রীকে বাসর রাতেই পরিশোধ করতে বাধ্য।
সরকারী চাকুরীজিবী স্বামীর মৃতুর পরে স্ত্রী আজীবন পেনশন ভোগ করে থাকেন। এক্ষেত্রে সরকারী চাকুরীজীবি স্ত্রীর অবর্তমানে স্বামী পেনশন পাবেন না। কোন পুরুষ স্ত্রীর সম্পত্তির অংশিদারিত্ত পাবেন না। অন্যকোন ধর্মে/ আইনে নারীদের এতো সম্মান দেওয়া হয় নাই।









0 comments:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন